Posts

অমিত বাগলের কবিতা

Image
  অমিত বাগল। বয়স ৫৮,কবিতা পথ চলা :-৮০-র দশকে। জন্ম চিত্তরঞ্জন,, পেশা রেলকর্মী, ব‌ই1.ক্যনভাসে আদিম বর্বর2.জলবর্ণমালা3.পিওনপাখির সাইকেল 4.ইষ্টকুটু 5.অশ্রুবীজ 6.অসুখসোনা 7.অনুরোদের আসর।  মা:-শ্রীমতি রানুকনা বাগল ; বাবা:-শ্রী উমানাথ বাগল আজ জিরো বাউন্ডারির একক উদযাপন বিভাগে থাকছে কবির একটি সিরিজ কবিতা।                           জন্মদিনের দাগ                                      ১ বারিময়দানের মোনালিসা   ম্যারেজ হল  থেকে ফিরে  এলাম ঝকঝকে রাত পশুপতি কমপ্লেক্স-এ --- আমাদের  "বোতাম-ঘর "-টিতে দেয়া-নেয়া আছে আমাদের  শিবের  মাথায় জলের মধু দেবার মতো দেবীর পায়ে আমাদের‌ই পুষ্প-জনম ... মা কালো পাথরের বাটি করে চানজল রেখে দিতো মাদুলিতে ফুল ভরে  কী গরম, কী গরম টপটপ টপটপ মোম                                   ...

আবু তালেব মোল্লাহ-র কবিতা

Image
  পরিচিতিঃ আবু তালেব মোল্লাহ্ বাংলাদেশের উত্তর পশ্চিম সীমান্ত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে ১৯৬২ সালে জন্ম গ্রহন করেন। স্থানীয় স্কুল ও কলেজে লেখাপড়ার পর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে স্নাতক (সম্মান) ও এম, এ পাশ করেন। অনুষঙ্গ সাবজেক্ট দর্শন এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য পড়েন। ১৯৯০ সালে কর্মজীবন শুরু হয়। কর্মজীবনের সমাপ্তি টানেন ২০১৬ সালে। এরপর থেকে রাজশাহী শহরে স্থায়ী ভাবে বাস করছেন। এপর্যন্ত তার প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ তিনটি। এখনো লিখছেন।  কবি জিরো বাউন্ডারি গ্রুপের সাথে যুক্ত আছেন। আজ প্রকাশিত হল কবির একগুচ্ছ ভিন্ন স্বাদের কবিতা  ০১। বিকেল  এমনই কোমর বন্ধনী জড়িয়ে কোমরে নেমে আসে বিকেল— প্রতিদিন শাড়ির রং পাল্টায় ম্যাচ করে ঠোঁটের লিপস্টিক।  ভুল বুঝাটাও সহজ ব্যাপার নয় প্রশান্তমহাসাগরীয় গভীরতা লাগে, আর, এজন্য ব্যাপারটা ছোটখাটো হয়ে নাই,  ঋতু বদলেছে — পানি গড়িয়েছে অনেক। ০২। নিম্নচাপ সেই চ্যানেলটা নিম্নচাপ বিষয়ে  দিনরাত বকবক করে চলেছে, অভিজ্ঞতা থেকে ক্ষয়ক্ষতির জল্পনা  জুড়ে দিচ্ছে বিস্তারিত। কিছুক্ষণ পরপর চা ও বিস্কিটের ট্রে— ধেয়ে আসছে ঘুর্ণিঝড়। ০৩। ভ্রমন ...

স্নিগ্ধা মন্ডলের কবিতা

Image
  স্নিগ্ধা মন্ডল শিক্ষকতার সাথে যুক্ত , মাস্টার্স সহ বি পি এড করেছেন । । এছাড়া তাঁর নানান hobby আছে। যেমন নানান পদের রান্না করা , আলপনা দেওয়া, crafting এর কাজ , কারুশিল্প,  গান গাওয়া । ক্যারাটে এবং যোগাতে তিনি পারদর্শী,  পাহাড়ে ট্রেকিং করাও তাঁর একটা passion.   কবিতা লেখেন পাশাপাশি।  জিরো বাউন্ডারি গ্রুপের সাথে যুক্ত আছেন। এখানে এসে তিনি কবিতায় নতুন ভাবে শুরু করেছেন জার্নি।  আজ জিরো বাউন্ডারির একক উদযাপন বিভাগে রইল তাঁর একগুচ্ছ কবিতা।  ১: শেষের ইতিহাস আমার  নিঃশব্দ উপস্থিতি তোমার নিদ্রাভঙ্গ , সেদিন স্নানের ঘরের বাষ্পে পাবে আমার স্পর্শ, সেদিন জানবে আমি কত আপন, খাবারের গ্রাসে পাবে আমার ঘ্রাণ, সেদিন জানবে আমি কত খানি জুড়ে, বাস্তবতার বেড়াজালে তাকে বাঁধতে পারবেনা, এ 'আমি' সেই আমি। কোনো এক একাকিত্বের রজনীতে, আমি হব শয্যাসঙ্গিনী, তোমার কুন্তল ,ললাটে থাকবে আমার আর্দ্র স্পর্শ।। তোমার শরীরের প্রতিটি কোণায় কোণায়, মায়াজাল গেঁথে দেব আমি, চুম্বনে আঁকবো মুখমন্ডল, যার ছোঁয়া ফুটে উঠবে আরশির প্রতিচ্ছবিতে, যাকে অনুভব করবে তুমি, কিন্তু ফেরাতে পারবে না তার অন...

হামিদুল ইসলামের কবিতা

Image
  জন্ম 1955 সালের 5 মার্চ। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার অন্তর্গত কুমারগঞ্জ থানার ভোঁওর গ্রামে। আর্থিক সংকটের কারণে শৈশবে মাতুলালয়ে গমন। সেখান থেকে উচ্চ মাধ্যমিক। পরের লাথ গুড়ি খেয়ে পড়াশোনা আরো একধাপ এগোয়। 14 বছর বয়েসে স্কুলের ম‍্যাগাজিনে প্রথম কবিতা প্রকাশ। এ যাবৎ ন'টি একক কাব‍্যগ্রন্থ। চল্লিশের উপর যৌথ সংকলন কাব‍্যগ্রন্থ। ' প্রাঙ্গণ সাহিত‍্য পত্রিকা ' থেকে " সাহিত‍্য রত্ন " ও " কবি সাগর " সম্মাননায় সম্মানিত। লেখা চলছে। " যবৎ বাঁচি তবৎ লিখি"এই ধারণায় বিশ্বাসী কবি আজ জিরো বাউন্ডারির একক উদযাপন বিভাগে থাকছে কবির তিনটি ভিন্ন স্বাদের কবিতা।                         ১: মুক্তি জলের উঠোনে ধূপের সুবাস  নির্জন বদ্বীপ জুড়ে ছায়াডোবা কোমল গান্ধার  ঘুঘু ডাকা পোয়াতি রোদ  শুয়ে থাকে আধপোড়া মায়ায়   ।। রেল লাইনের পাশ বেয়ে রাস্তা যাত্রী বোঝাই হাজার হাজার রক্ত ভেজা লড়ি  কাড়া নাকাড়া    ঘরে ঘরে বিপ্লব   ।। তখনো হাতে হাতে বিলি হচ্ছে কারুকাজ করা প্রাচীন দিন  ছাতার নীচে চিরনিদ্রায় আচ্ছন্ন কালবেল...

পিনাকী রায়ের কবিতা

Image
  জন্ম 13 ই জুন 1978 কলকাতায়। স্নাতকোত্তরের প্রাণিবিদ্যা ও এম.ফিলে পরিবেশ জৈবপ্রযুক্তি বিদ্যার সাথে বি.এড ডিগ্রী নিয়ে শিক্ষকতা পেশাকে সঙ্গী করে বারবার প্রকৃতিতে নিখোঁজ হয়েছেন। পছন্দের পেশা কে পাশে পেয়ে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে তার অন্যতম নেশা গুলো যেমন ফটোগ্রাফি চর্চা ও কবিতা লেখা। নিজেকে বরাবরই "লিরিক্যাল" কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন। বর্তমানে কবিতাই তার ধ্যান জ্ঞান। তার প্রথম প্রথম কাব্যগ্রন্থ "হৃদয়ের নীরবতার শব্দ শুনি" ইতিমধ্যেই বহুজনের প্রশংসা কুড়িয়েছে। বিমূর্ততার মধ্যে বরাবরই খুঁজে চলেছেন অমোঘ সৃষ্টি। আজ জিরো বাউন্ডারির একক উদযাপন বিভাগে থাকছে পিনাকী রায়ের পাঁচটি কবিতা।  (১) যুদ্ধ জননী এখনের মাটিটা বড্ড ঝুরঝুরে পা ফেললেই আটকে যায় সারা শরীরে, হাওয়া দিলে আত্মস্থ হয়। স্বামী সন্তান হারা ওইযে চলেছে আমার স্বাধীন দেশ। বুকের উপরে পা তোলাই যেত কিন্তু আপনজনের বুকের ওপরে অধিকারবোধ সহজাত। দোরে দোরে ঘোরে শব্দ ভিখারি, আমার দেশ ভালো আছো? একটু নীরবতা পালন করো ওরা ঘুমিয়ে আছে মাটির অনেক গভীরে, ওই ওদের স্পন্দন শুনতে পাও তো? আমার আব্রু গেছে, দান করেছি স্বামী সন্তান।...

চন্দন চৌধুরীর কবিতা

Image
চন্দন চৌধুরী বাঁকুড়া জেলায় থাকেন । ষাটের দশকে জন্ম।  অবসরপ্রাপ্ত BSNL আধিকারিক।  কবিতার প্রতি তীব্র ভালোবাসাই কবিকে সদা যুবক রেখেছে , অনিয়মিত লেখেন স্থানীয় পত্র পত্রিকায়। প্রথম কাব্যগ্রন্থ, ' মুখোশ খুঁজেছে আজ মুখের ঠিকানা ' । জিরো বাউন্ডারি সব সময়ই নতুন প্রতিভার সন্ধান করে ।  চন্দন চৌধুরী জিরো বাউন্ডারি গ্রুপের যাথেও যুক্ত।  আজ একক উদযাপন বিভাগে রইল কবির একগুচ্ছ কবিতা এক্কেবারে আলাদা স্বাদের।   ১ : ZERO IS TYPING  তোর ঈর্ষা থেকে উঠে আসা  একটি নগ্ন  পিঠ এইমাত্র দুপুর-কে নিয়ে শুয়ে পড়েছে।  আমাদের সীমান্ত অতিক্রম চোখে- বারো হাত কাপড়  যতই লুকিয়ে রাখুক - এক্সট্রা দুটি বল-- বাউন্ডারি জানে--- কোন ব্যাটিং----নেট পর্দা ছিঁড়ছে  আক্রোশ ছয়ের অনতিক্রম্য চোখ ধাঁধানো মার।  এসবই একটি উত্তেজক টি ২০  শুধু নয়- মাঠের বাইরে কিছু এলে বেলে দর্শক- ঘুলঘুলি ফাঁক-- ঘুমিয়ে থাকা সাবান ফেনায়-- ধুয়ে দেবার বিনোদন-বেসিনআয়নার অসদ্ বিম্ব কে প্রতি দিন শূন্য রানে আউট করছে।  আমাদের দৈনন্দিন দৈর্ঘ্য থেকে কেটে নেওয়া কয়েক ইঞ্চির আকাঙ্ক...

উম্মে ফারহিনের কবিতা

উম্মে ফারহিন উত্তর ২৪ পরগণায় থাকে , বাংলা সাহিত্যে মাস্টার্স।  ছোট থেকেই কবিতার প্রতি আগ্রহ এবং লেখা । পড়াশোনার জন্য দীর্ঘদিন বিরতি থাকার পর পুনরায় লেখা শুরু  মাস্টার্স চলাকালীন। খুব সহজ সরল ভাষায় লেখা কবিতা হৃদয়ে অনুভূতি সৃষ্টি করে । জিরো বাউন্ডারি চায় সম্ভাবনার নতুন মুখ তুলে আনতে । ফারহিন জিরো বাউন্ডারি গ্রুপের সাথে যুক্ত এবং ওখান থেকেই উত্থান।  আগামী দিনে আরও ভালো লিখবে আশা  রাখি। আজ একক উদযাপন বিভাগে রইল এই তরুণীর একগুচ্ছ কবিতা।  ১ : আলোকবর্ষ পেরিয়ে আলোকবর্ষ পেরিয়ে গতির মাঠে দেব চেনা স্মৃতি অচেনা মানুষ, তীব্র শব্দ মন কেমন করে। সুখ বিসর্জিত মঙ্গলেতেও প্রাণের উঁকি দেয়, পৃথিবী জোড়া মায়ার জগতে ঘুম ভাঙেনা আমার। শনির বলয় ভেদ করে যায় তোমার চোখের দৃষ্টি, সাধ জেগেছে মিশে যাবো; ব্ল্যাক হোলের নিকষ কালো অন্ধকারে। খুঁজো না আমায়---- হারিয়েছি অনেক আলোকবর্ষ পেরিয়ে।। ২ : শুষে নাও সব শ্রাবনের প্রবল বর্ষনে গর্জে ওঠে মন নিরুত্তাপ জনপদ, অস্থির সময় নদী নালা ভেদ করে। পরিপূর্ণ গিরিখাত জলের স্রোতে ভাসিয়ে দেয় অষ্টাদশীর হৃদয়। গাঙের মাঝি ঘুম পাড়ায় চিল পায়রার ধুম তুমি তো সূর্য, শু...